পণপ্রথা কী? ভারতে পণপ্রথা টিকে থাকার কারণ গুলি কী কী ?
![]() |
| পণ প্রথা কী? |
১৯৬১ সালে ভারতে পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণ আইনটি ঘোষিত হয়েছে এবং পরবর্তী পর্যায়ে নানাভাবে সংশোধন এবং নতুন কিছু সংযোজন সত্বেও এই প্রথাটি টিকে থাকার কারণ গুলি হল নিম্নরূপ-
সম্ভ্রান্ত পরিবারে বিবাহ্দানে প্রত্যাশা
প্রসঙ্গত বলা যায়, কন্যার নিরাপত্তার কথা ভেবে অভিভাবক পন প্রদান করে ধনী এবং অভিজাত পরিবারে কন্যার বিবাহ উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে থাকে।
সামাজিক প্রথা
সমাজে এটিকে একটি সামাজিক প্রথা হিসেবে গণ্য করার ফলে এটির ধারাবাহিকতা বর্তমান। কোনো কোনো অভিভাবক এর বিরোধী হলেও তাদের আত্মীয়-স্বজন বা জাতপাতগত বিধিনিষেধের কারণে সর্বসমক্ষে বিরোধিতা করতে পারেনা। ফলে প্রথাটি টিকে রয়েছে।
জাত-পাত ব্যবস্থার চাপ
হিন্দু জাতপাত ব্যবস্থায় অন্তর্বিবাহের গুরুত্বের কারণে একটি বিশেষ জাতভুক্ত কোনো উচ্চ বেতনভুক্ত চাকরিজীবী ছেলেকে স্বজাতভুক্ত পাত্রীর অভিভাবক অধিক পণ প্রদান করে কন্যার বিবাহদানে আগ্রহী হয়। কারণ, এইরূপ পাত্রকে মূল্যবান বা দুষ্প্রাপ্য হিসাবে গণ্য করা হয় ।
অনুলোম বিবাহ
ঊর্ধ্বমুখী উল্লম্বী সচলতার আশায় অপেক্ষাকৃত উচ্চ জাতভুক্ত পাত্রের সাথে কন্যার বিবাহদানে আগ্রহী অভিভাবককে অধিক পণ প্রদান করতে হয়।
সামাজিক মর্যাদা বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণা
নিজেদের উচ্চমানের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা তুলে ধরার জন্য কিছু কন্যার অভিভাবকবৃন্দ অধিক পণ দানে আগ্রহী হয়। প্রসঙ্গত, রাজপুত সম্প্রদায়ের দৃষ্টান্ত টানা যায়। আবার পাত্রপক্ষ নিজেদের উচ্চমানের মর্যাদাবান হিসাবে তুলে ধরার জন্য অধিক পণ প্রত্যাশা করে থাকে।
পরিশেষে বলা যায়, অতীতে মূলত হিন্দুদের ক্ষেত্রে বর দক্ষিণা হিসাবে গণ্য করা হলেও পণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং প্রায় সকল অহিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে বিস্তার ঘটেছে। আবার 1961 সালে 20শে মে পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণ আইনটি ঘোষিত হয়েছে এবং পরবর্তীকালে নানাভাবে এর সংশোধন ও সংযোজন সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে ব্যাধিসম এই বিধিটির অবলুপ্তির পরিবর্তে সুপ্ত বা প্রকাশিত ভাবেই অস্তিত্বের ধারা বর্তমান রয়েছে।
দুষ্ট চক্র বা Vicious Circle
যে অভিভাবক কন্যার বিবাহদানে পণ প্রদান করেছেন, তারা প্রত্যেকে বিবাহকালে পণ প্রত্যাশা করায়, এইরূপ প্রথাটির অস্তিত্বের ধারা বর্তমান ।পরিশেষে বলা যায়, অতীতে মূলত হিন্দুদের ক্ষেত্রে বর দক্ষিণা হিসাবে গণ্য করা হলেও পণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং প্রায় সকল অহিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে বিস্তার ঘটেছে। আবার 1961 সালে 20শে মে পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণ আইনটি ঘোষিত হয়েছে এবং পরবর্তীকালে নানাভাবে এর সংশোধন ও সংযোজন সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে ব্যাধিসম এই বিধিটির অবলুপ্তির পরিবর্তে সুপ্ত বা প্রকাশিত ভাবেই অস্তিত্বের ধারা বর্তমান রয়েছে।
- jj
- jhjh
- hghhj
- hhghg


No comments:
Post a Comment