আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি কী? উদাহরণসহ পার্থক্য
![]() |
| আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি |
প্রিয় বন্ধু,
দর্শন ও সমাজতাত্ত্বিক গবেষনার একটি গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ধারণা হলো আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি । এই দুটি পদ্ধতির সঠিক সংজ্ঞা কী?- সেই সম্পর্কে উদাহরণসহ পার্থক্যমূলক দিকটিও এখানে আলোচনা করা হলো । তাই দেরী না করে নীচ থেকে পড়ে নিন তাড়াতাড়ি ।
আরোহী পদ্ধতি:
আরোহী পদ্ধতি হলো সেই পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া যেটির মধ্যে দুই বা ততোধিক চলকের মধ্যেকার নিয়মিত সমন্বয়ের ভিত্তিতে একটি সাধারণ বিবৃতি গঠনের ইঙ্গিত বর্তমান, যে ইঙ্গিত ধারাবাহিকভাবে অভিজ্ঞতামূলক পর্যবেক্ষণসূত্রে গঠিত। অর্থাৎ একগুচ্ছ পরিচিত ঘটনাসমূহের নিরিখে গঠিত সাধারণীকরণের ওপর আরোহী মন্তব্য নির্ভর করে থাকে। অন্যভাবে বলা যায় অংশগুলি সম্পর্কে সাধারণ ধারণার নিরিখে সমগ্রক সম্পর্কে সাধারণ বিবৃতি গঠন করাই হল আরোহী পদ্ধতি। যেমন একজন ব্যক্তি হিসেবে রাম মারা গেলে,শ্যাম মারা গেলে, বা যদু মারা গেলে মানুষ সম্পর্কে বিবৃতি প্রকাশ হয় যে -"মানুষ হলো মরণশীল"
অবরোহী পদ্ধতি:
অবরোহী পদ্ধতি হলো কোনো ঘটনা বা চলকের ব্যাখ্যা প্রদানের সেই পদ্ধতি যা পূর্বে গঠিত কোন সাফল্যপূর্ণ প্রকল্পের নিরিখে ঘটনা বা চলকটির সম্পর্কে বিবৃতি প্রদান করে। অন্যভাবে বলা যায় একটি সমগ্রক সম্পর্কে গঠিত সাধারণীকৃত ধারণার ভিত্তিতে সমগ্রকভুক্ত কোনো অংশ সম্পর্কে অভিমত ব্যক্তকরণমূলক পদ্ধতি বা ব্যাখ্যা হল অবরোহী পদ্ধতি বা অবরোহী ব্যাখ্যা । যেমন- "মানুষ মরণশীল"-এইরূপ সাধারণ বিবৃতির নিরিখে মন্তব্য করা যায় যে একজন মানুষ হিসেবে রামেরও মৃত্যু অনিবার্য ।
পরিশেষে বলা যায়, বিভিন্ন উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত থেকে সংজ্ঞা নিরূপন হল আরোহী পদ্ধতি এবং সংজ্ঞা থেকে দৃষ্টান্ত নির্ণয় করা হল অবরোহী পদ্ধতি ।


No comments:
Post a Comment