Bong Info-বাংলা তথ্য ভান্ডার

India's Best Bengali Information Site : Study Notes, Current Affairs, General Knowledge for All Types of Exams

LightBlog

Breaking

Saturday, March 21, 2020

March 21, 2020

[Review] Best Books List for West Bengal Primary TET Examination

[Review] Best Books List for West Bengal Primary TET Examination 

Best Books List for West Bengal Primary TET Examination
Best Books for WB Primary TET Bengali
নমস্কার বন্ধুরা,
আগত West Bengal Primary TET পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Best Books List খুঁজছেন? তাহলে ঠিকই জায়গায় উপস্থিত হয়েছে । অবশ্য একথা সত্য যে, সবার পক্ষে সব বই কেনা সম্ভব নয় । কারণ, বাজারে প্রচুর বই পাওয়া যাচ্ছে এবং তার দামও ভিন্ন ভিন্ন । তাই আজ আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে সেরা ৬টি প্রাইমারী টেটের বই-এর তালিকা দিচ্ছি বর্ণনা সহ, যেগুলো অনলাইন কিংবা আপনাদের কাছাকাছি বুকস্টলে পেয়ে যাবেন ।

        বলে রাখা ভালো, সব বই গুলির ব্যাপারে আপনার সঙ্গে মতের ভিন্নতা হতে পারে, তথাপি তথ্যবহুল বই গুলোরই কথা এখানে বলা হলো, যেগুলো Primary TET Syllabus অনুযায়ী প্রস্তুত এবং পরীক্ষার্থীদের সত্যিই সাহায্য করবে ।

Best Books List for WB Primary TET

1. Chhaya Primary Tet Challenger

Chhaya Primary Tet Challenger
Photo Source: Flipkart
❏ প্রকাশনীর নাম : ছায়া প্রকাশনী
❏ ভাষা : বাংলা
❏ পাতার সংখ্যা : 
❏ সংস্করণ : চতুর্থ
❏ দাম : প্রায় ৩০০ টাকা

আমাদের মন্তব্য : বইটিতে টেটের সিলেবাস অনুযায়ী প্রতিটা বিষয় এবং প্রতিটা বিষয়ের সমস্ত অধ্যায় প্রথমে আলোচনা করা হয়েছে এবং বিশদ আলোচনার পর অধ্যায়ভিত্তিক MCQ Practice Set দেওয়া হয়েছে উত্তরপত্র সহ । আর আমাদের মতে এই বইটাই সেরা কারণ, এতে প্রচুর প্রশ্ন আছে যারফলে পরীক্ষায় আসতে পারা প্রশ্ন সম্পর্কে আন্দাজ পেয়ে যাবেন ।

2.Teachers Eligibility Test (TET) Primary Guide : Oriental

Teachers Eligibility Test (TET) Primary Guide : Oriental
Photo Source : Amazon

❏ প্রকাশনীর নাম : ওরিয়েন্টাল বুক 
❏ লেখকের নাম : অমর দাস
❏ ভাষা : বাংলা
❏ পাতার সংখ্যা : ৬২৫টি
❏ সংস্করণ : পঞ্চম
❏ দাম : প্রায় ৩১০ টাকা

আমাদের মন্তব্য : এই বইটিও খুবই জনপ্রিয় পরীক্ষার্থীদের কাছে । এখানেও প্রথমে আলোচনা করা হয়েছে এবং তারপর অনুশীলনী দেওয়া হয়েছে | এবং এটি একদম নতুন সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুত ।

3.Tapatir Primary TET Advance

Tapatir Primary TET Advance
Photo Source : Amazon
❏ প্রকাশনীর নাম : তপতী পাবলিশার্স
❏ লেখকের নাম : সন্তোষ কুমার ঘোরুই, সুজিত সামন্ত ও কবিতা চক্রবর্তী
❏ সম্পাদনায় : মৌসম মজুমদার
❏ ভাষা : বাংলা
❏ পাতার সংখ্যা : ৩০০টি
❏ সংস্করণ : প্রথম
❏ দাম : প্রায় ২৪০ টাকা

আমাদের মন্তব্য : বইটি খুব ভালোও নয় আবার খুব খারাপও নয় অর্থাৎ এটি একটি মাঝারী মানের বই । যারা একাধিক বই কিনতে চান তারা তাদের তালিকায় এটা রাখতেই পারেন ।

4.Oxizone Books New Primary TET Practice Plus

Oxizone Books New Primary TET Practice Plus
Photo Source : Amazon
❏ প্রকাশনীর নাম : অক্সিজেন বুক
❏ ভাষা : বাংলা
❏ পাতার সংখ্যা : ২৫০টি
❏ সংস্করণ : দ্বিতীয়
❏ দাম : প্রায় ২৫০ টাকা

আমাদের মন্তব্য: এই বইটি ভালো হলেও, এটা কেবলমাত্র প্র্যাকটিসের জন্য ঠিক আছে, কারণ এখানে বিশদে দেওয়া হয়নি । সমস্ত প্রশ্ন উত্তর MCQ ফরম্যাটে দেওয়া হয়েছে । তাই অন্যান্য বই পড়ার পর নিজেকে যাচাই করার জন্য মডেল সেট হিসাবে এগুলো সমাধান করতে পারেন । গুণগত দিক থেকে বইটি যথেষ্ঠই ভালো ।

5. Primary TET : Mondal Prokashoni

Primary TET : Mondal Prokashoni
Photo Source: Mondal Prokashoni

❏ প্রকাশনীর নাম : মন্ডল প্রকাশনী
❏ সম্পাদনায় : কার্তিক চন্দ্র মন্ডল
❏ ভাষা : বাংলা
❏ পাতার সংখ্যা : ৫৫২টি
❏ সংস্করণ : দ্বিতীয়
❏ দাম : প্রায় ৪০০ টাকা

আমাদের মন্তব্য : এটিও একটি মাঝারী মানের বই । অবশ্যই কিনতে পারেন ।

6. Primary TET ( Bengali ) 2020 : Parul Library

Primary TET ( Bengali ) 2020 : Parul Library
Photo Source : Amazon
❏ প্রকাশনীর নাম : পারুল লাইব্রেরি প্রাইভেট লিমিটেড
❏ সম্পাদনায় : সঞ্জয় কুমার জানা
❏ ভাষা : বাংলা
❏ পাতার সংখ্যা : ৭০৫টি
❏ সংস্করণ : প্রথম
❏ দাম : প্রায় ৩৫০ টাকা

আমাদের মন্তব্য : এই বইটিও মাঝারী মানের, তবে এটিতে বিভিন্ন রাজ্যের টেটের প্রশ্নপত্র সলভ দেওয়া হয়েছে ।এবং অনেকটাই তথ্যবহুল বই এটি ।

উপসংহার;

           পরিশেষে একথা অনস্বীকার্য যে, এই সমস্ত বই গুলিই WB Primary TET পরীক্ষার জন্য যথেষ্ঠ নয় । পরীক্ষায় ভালো ফল করতে হলে বিভিন্ন বিষয়ের আলাদা আলাদা যে সমস্ত টেক্সট বই পাওয়া যায় সেগুলো পড়া অধিক বুদ্ধিমানের কাজ । তারমানে এটা কখনই বলছি না, যে উপরিউক্ত বই গুলি কাজের নয় । আসলে এই প্রতিযোগিতার বাজারে নিজেকে যতটা বেশী মাত্রায় প্রস্তুত করা যায় সে ব্যাপারে নজর দিতে হবে। আপনারা মাধ্যমিকলেভেলের ইংরাজি, গণিত ও পরিবেশ বিজ্ঞান পড়তে পারেন এবং পেডাগগির জন্য রীতা পাবলিকেশনের বই গুলি পড়তে পারেন ।

-Thank You-

Saturday, March 14, 2020

March 14, 2020

পণপ্রথা কী? ভারতে পণপ্রথা টিকে থাকার কারণ গুলি কী কী ?

পণপ্রথা কী? ভারতে পণপ্রথা টিকে থাকার কারণ গুলি কী কী ?

পণপ্রথা কী? ভারতে পণপ্রথা টিকে থাকার কারণ গুলি কী কী ?
পণ প্রথা কী?
ভারতে নারীদের বিরুদ্ধে হিংসার একটি কারনিক উপাদান হিসাবে পণপ্রথা হল মূলত বিবাহকালে পাত্রী পক্ষ থেকে পাত্রপক্ষকে আর্থিক বা বস্তুগত সামগ্রী প্রদানের রীতি। পাত্র পাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্ম ও বেতনক্রম, পিতা-মাতার আর্থিক অবস্থা, অঞ্চলগত পার্থক্য, জাত-শ্রেণি বা নৃকুলতা এবং ধর্ম ও সংস্কৃতিগত পার্থক্যের কারণে প্রথাটির মধ্যে তারতম্য পরিলক্ষিত। Dowry Prohibition Act(1961) অনুযায়ী অলংকার সামগ্রী, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং অন্যান্য উপকরণ সামগ্রী মিলে মোট 2000 টাকার অধিক মূল্য পাত্রপক্ষ কর্তৃক গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। অবশ্য পরবর্তী আইন গুলিতে এই পরিমাণের পরিবর্তন ঘটেছে।

 ১৯৬১ সালে ভারতে পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণ আইনটি ঘোষিত হয়েছে এবং পরবর্তী পর্যায়ে নানাভাবে সংশোধন এবং নতুন কিছু সংযোজন সত্বেও এই প্রথাটি টিকে থাকার কারণ গুলি হল নিম্নরূপ-

সম্ভ্রান্ত পরিবারে বিবাহ্দানে প্রত্যাশা

প্রসঙ্গত বলা যায়, কন্যার নিরাপত্তার কথা ভেবে অভিভাবক পন প্রদান করে ধনী এবং অভিজাত পরিবারে কন্যার বিবাহ উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে থাকে।

সামাজিক প্রথা

সমাজে এটিকে একটি সামাজিক প্রথা হিসেবে গণ্য করার ফলে এটির ধারাবাহিকতা বর্তমান। কোনো কোনো অভিভাবক এর বিরোধী হলেও তাদের আত্মীয়-স্বজন বা জাতপাতগত বিধিনিষেধের কারণে সর্বসমক্ষে বিরোধিতা করতে পারেনা। ফলে প্রথাটি টিকে রয়েছে।

জাত-পাত ব্যবস্থার চাপ

হিন্দু জাতপাত ব্যবস্থায় অন্তর্বিবাহের গুরুত্বের কারণে একটি বিশেষ জাতভুক্ত কোনো উচ্চ বেতনভুক্ত চাকরিজীবী ছেলেকে স্বজাতভুক্ত পাত্রীর অভিভাবক অধিক পণ প্রদান করে কন্যার বিবাহদানে আগ্রহী হয়। কারণ, এইরূপ পাত্রকে মূল্যবান বা দুষ্প্রাপ্য হিসাবে গণ্য করা হয় ।

অনুলোম বিবাহ

ঊর্ধ্বমুখী উল্লম্বী সচলতার আশায় অপেক্ষাকৃত উচ্চ জাতভুক্ত পাত্রের সাথে কন্যার বিবাহদানে আগ্রহী অভিভাবককে অধিক পণ প্রদান করতে হয়।

সামাজিক মর্যাদা বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণা

নিজেদের উচ্চমানের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা তুলে ধরার জন্য কিছু কন্যার অভিভাবকবৃন্দ অধিক পণ দানে আগ্রহী হয়। প্রসঙ্গত, রাজপুত সম্প্রদায়ের দৃষ্টান্ত টানা যায়। আবার পাত্রপক্ষ নিজেদের উচ্চমানের মর্যাদাবান হিসাবে তুলে ধরার জন্য অধিক পণ প্রত্যাশা করে থাকে।

দুষ্ট চক্র বা Vicious Circle

যে অভিভাবক কন্যার বিবাহদানে পণ প্রদান করেছেন, তারা প্রত্যেকে বিবাহকালে পণ প্রত্যাশা করায়, এইরূপ প্রথাটির অস্তিত্বের ধারা বর্তমান ।

        পরিশেষে বলা যায়, অতীতে মূলত হিন্দুদের ক্ষেত্রে বর দক্ষিণা হিসাবে গণ্য করা হলেও পণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং প্রায় সকল অহিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে বিস্তার ঘটেছে। আবার 1961 সালে 20শে মে পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণ আইনটি ঘোষিত হয়েছে এবং পরবর্তীকালে নানাভাবে এর সংশোধন ও সংযোজন সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে ব্যাধিসম এই বিধিটির অবলুপ্তির পরিবর্তে সুপ্ত বা প্রকাশিত ভাবেই অস্তিত্বের ধারা বর্তমান রয়েছে।

  • jj
  • jhjh
  • hghhj
  • hhghg

Thursday, March 12, 2020

March 12, 2020

শিশুশ্রম ও শিশুশ্রমিক কী? ভারতে শিশুশ্রমের কারণ সমূহ

শিশুশ্রম ও শিশুশ্রমিক কী? ভারতে  শিশুশ্রমের কারণ সমূহ:

শিশুশ্রম ও শিশুশ্রমিক কী ? ভারতে শিশুশ্রমের কারণ সমূহ
শিশুশ্রম ও শিশুশ্রমিক
কারখানা আইন অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সী শিশু, যারা কৃষি, শিল্প, কারখানা, হোটেল বা রেস্তোরা, খনি তথা যেকোনো শ্রম  ক্ষেত্রে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কর্মসম্পাদনে যুক্ত, তারাই হল শিশুশ্রমিক । আর অর্থের বিনিময়ে তাদের দ্বারা প্রদানকৃত শ্রমই হল শিশুশ্রম, যা সম্পাদনে তাদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয় ।

দেশে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক এবং সমাজতাত্ত্বিক অনুশীলন সুত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ গুলোকে নিম্নরূপে উপস্থাপন করা যেতে পারে --

দারিদ্রতা

International Labour Organization (ILO)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে শিশু শ্রমিকের হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো দারিদ্রতা এবং ইহা মূলত পারিবারিক দারিদ্রতা হিসাবে নির্দেশিত । পারিবারিক অভাব-অনটনের পাশাপাশি সদস্যদের সংখ্যাধিক্য এবং বেকারত্বমূলক পরিস্থিতি শিশুদের উপর চাপ বৃদ্ধি করছে ।

পারিবারিক বিপর্যয়

পরিবারের উপার্জনশীল সদস্যের শারীরিক দুর্বলতা, বিকারগ্রস্থতা, অকাল মৃত্যু এমনকি পারিবারিক বিপর্যয়ের মতো পরিস্থিতি গুলোতে পরিবারের সদস্যদেরকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য শিশুরা কোনো কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে বাধ্য হয় ।

অভিভাবকদের অজ্ঞতা 

বহু অশিক্ষিত এবং অজ্ঞ পিতা-মাতারা তাদের শিশুদেরকে উপার্জনের একক হিসাবে গণ্য করার ফলে শিশু শ্রমিক-এর সৃষ্টি ও সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

অর্থের প্রতি শিশুদের মোহগ্রস্ততা

বিশেষত নিম্নবর্গীয় শিশু, যাদের মধ্যে লেখাপড়ায় অমনোযোগিতার সাথে বিদ্রোহী মনোভাব অন্যদিকে যেকোনো পথে অর্থ উপার্জনের মোহগ্রস্ততা তাদেরকে শিশু শ্রমে নিযুক্ত হতে প্রভাবিত করে ।

শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা 

প্রথাগত শিক্ষা শিশুকে নিশ্চিতভাবে কর্মমুখী করে তুলতে পারছে না, আবার পাঠক্রম এবং পাঠদান পদ্ধতি-কোনোটিই তাদের কাছে আকর্ষণীয় না হয়ে ওঠার কারণে শিশু মূলত নিম্নবর্গীয় পরিবারের শিশুরা কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হওয়াকেই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করে।

নিয়োগ কর্তাদের স্বার্থান্বেষী মনোভাব 

লোভী এবং স্বার্থান্বেষী নিয়োগকর্তারা নিজেদের স্বার্থেই শিশুশ্রমকে মূলধন হিসাবে গণ্য করে শিশুদেরকে কর্মক্ষেত্রে যথেচ্ছভাবে নিয়োগ করছে। অবশ্য তাদের যুক্তি হলো দরিদ্র এবং গৃহপরিবারহীন শিশুরা কাজের সাথে যুক্ত থাকলে তারা অনাহার থেকে বাঁচবে এবং অপরাধমূলক ক্রিয়া কর্ম সম্পাদনের থেকে দূরে থাকবে।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি

দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা শিশুশ্রম সৃষ্টি এবং শিশুশ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করছে ।

শিশুশ্রম নির্ভর শিল্প

কিছু কিছু শিল্প বড়দের তুলনায় শিশুদের শ্রমের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে এবং বিদেশে সেইসব শিল্পজাত দ্রব্যের ব্যাপক বাজার চাহিদা। এই সমস্ত শিল্পের মালিকরা অল্প মজুরীতে শিশু শ্রমিক নিয়োগ করে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করে থাকে। এই প্রসঙ্গে, উত্তরপ্রদেশের কার্পেট শিল্পের দৃষ্টান্ত তুলে ধরা যেতে পারে।

সামাজিক দুর্বলতা 

সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, ভোগ্য সামগ্রীর প্রতি আকর্ষণ এবং অল্প বয়সে রোজগারের মনোবৃত্তি গড়ে তোলাই শিশুদেরকে শ্রমক্ষেত্রে নিযুক্ত হতে প্রভাবিত করে ।

রাজনৈতিক ত্রূটি-বিচ্যুতি

ভারতে গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের মতো মূল্যবোধ গুলির প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করা হলেও রাজনৈতিক স্বার্থে বৈষম্যভিত্তিক আর্থসামাজিক কাঠামো ধরে রেখে পরোক্ষভাবে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করছে।

সরকারি আইন ও প্রকল্প বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা 

একশ্রেণীর অভিভাবক শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক আইনসমূহের  বিরোধিতা করে শিশুদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য গ্রহণে প্রত্যাশী। অন্যদিকে শিশুশ্রম বিরোধী সরকারি প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির অভাব শিশুশ্রম প্রথা দমনের পরিবর্তে পরোক্ষভাবে টিকিয়ে রাখায় সাহায্য করছে।

           পরিশেষে বলা যায়, ভারতে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে বৈচিত্র্যপূর্ণ কারনিক উপাদানসমূহের প্রভাব থাকলেও আর্থনীতিক দুর্বলতাকেই অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করা যেতে পারে।

Tuesday, February 18, 2020

February 18, 2020

আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি কী? উদাহরণসহ পার্থক্য

আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি কী? উদাহরণসহ পার্থক্য

আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি কী?
আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি
প্রিয় বন্ধু,
দর্শন ও সমাজতাত্ত্বিক গবেষনার একটি গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ধারণা হলো আরোহী ও অবরোহী পদ্ধতি । এই দুটি পদ্ধতির সঠিক সংজ্ঞা কী?- সেই সম্পর্কে উদাহরণসহ পার্থক্যমূলক দিকটিও এখানে আলোচনা করা হলো । তাই দেরী না করে নীচ থেকে পড়ে নিন তাড়াতাড়ি । 

আরোহী পদ্ধতি:

আরোহী পদ্ধতি হলো সেই পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া যেটির মধ্যে দুই বা ততোধিক চলকের মধ্যেকার নিয়মিত সমন্বয়ের ভিত্তিতে একটি সাধারণ বিবৃতি গঠনের ইঙ্গিত বর্তমান, যে ইঙ্গিত ধারাবাহিকভাবে অভিজ্ঞতামূলক পর্যবেক্ষণসূত্রে গঠিত। অর্থাৎ একগুচ্ছ পরিচিত ঘটনাসমূহের নিরিখে গঠিত সাধারণীকরণের ওপর আরোহী মন্তব্য নির্ভর করে থাকে। অন্যভাবে বলা যায় অংশগুলি সম্পর্কে সাধারণ ধারণার নিরিখে সমগ্রক সম্পর্কে সাধারণ বিবৃতি গঠন করাই হল আরোহী পদ্ধতি। যেমন একজন ব্যক্তি হিসেবে রাম মারা গেলে,শ্যাম মারা গেলে, বা যদু মারা গেলে মানুষ সম্পর্কে বিবৃতি প্রকাশ হয় যে -"মানুষ হলো মরণশীল"

অবরোহী পদ্ধতি:

অবরোহী পদ্ধতি হলো কোনো ঘটনা বা চলকের ব্যাখ্যা প্রদানের সেই পদ্ধতি যা পূর্বে গঠিত কোন সাফল্যপূর্ণ প্রকল্পের নিরিখে ঘটনা বা চলকটির সম্পর্কে বিবৃতি প্রদান করে। অন্যভাবে বলা যায় একটি সমগ্রক সম্পর্কে গঠিত সাধারণীকৃত ধারণার ভিত্তিতে সমগ্রকভুক্ত কোনো অংশ সম্পর্কে অভিমত ব্যক্তকরণমূলক পদ্ধতি বা ব্যাখ্যা হল অবরোহী পদ্ধতি বা অবরোহী ব্যাখ্যা । যেমন- "মানুষ মরণশীল"-এইরূপ সাধারণ বিবৃতির নিরিখে মন্তব্য করা যায় যে একজন মানুষ হিসেবে রামেরও মৃত্যু অনিবার্য ।

            পরিশেষে বলা যায়, বিভিন্ন উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত থেকে সংজ্ঞা নিরূপন হল আরোহী পদ্ধতি এবং সংজ্ঞা থেকে দৃষ্টান্ত নির্ণয় করা হল অবরোহী পদ্ধতি ।